শিরোনাম :
ধর্মচর্চা থেকে রাষ্ট্রক্ষমতা—ধর্মের আড়ালেই অধর্ম আওয়ামী লীগ-পরবর্তী বাংলাদেশে ইসলামী মৌলবাদের উত্থান: শরিয়াহ আইন ও মানবাধিকারের প্রশ্ন বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক সমীকরণে জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে উদ্বেগ শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকার মুসলমানের জন্য বৈধ! মুসলমান, মৌলবাদী ও জঙ্গি—এদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই ইসলামে নারীদের পর্দা প্রথার উৎস ধর্ম ইসলামের বর্বরতা: নবী, কোরআন ও যৌনতার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন বাংলাদেশে জিহাদের উন্মাদনা: ধর্মান্ধতার উত্থানে মানবিক রাষ্ট্রের সংকট ইসলামপন্থীদের উত্থানে বাংলাদেশে উন্মাদনা: তালেবানি রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন এলজিবিটিকিউ মানুষের আত্মপরিচয়: রংধনুর মতো বৈচিত্র্যময় ও বর্ণিল
অনুসন্ধান করুন:
|
আমাকে অনুসরণ করুন:
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকার মুসলমানের জন্য বৈধ!

কামরুল ইসলাম
প্রকাশিত : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
প্রতীকী ছবি।

বিগত কয়েক দশকের ব্যবধানে বাংলাদেশে কওমি মাদ্রাসা, মসজিদের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে। এবং শত শত তরুণ এসব মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত হয়ে ধর্মীয় মৌলবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থাকেও ছাপিয়ে জঙ্গি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। মাদ্রাসাগুলো জঙ্গি ও মৌলবাদ তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে।

কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে এসব মাদ্রাসার বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি উত্থাপিত হয়, তা হচ্ছে শিশু নির্যাতন ও বলাৎকার। মাদ্রাসা শিক্ষক, ছাত্র ও পরিচালনায় যুক্ত এমন ব্যক্তিদের দ্বারা এসব ধর্ষণ সংঘটিত হচ্ছে। যা একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। একই সাথে নাবালক শিশুদের প্রতি এ ধরনের যৌনপীড়ন নারী ও শিশু সুরক্ষা আইন ২০০০-এর লঙ্ঘন।

মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্ম ইসলাম ভালো মানুষ তৈরি করে না কখনোই। এরাই ধর্ষক ও বলাৎকারকারী।

বাংলাদেশের এসব মসজিদ-মাদ্রাসায় পড়া বেশিরভাগ শিক্ষকও ছাত্র অবস্থায় বলাৎকারের শিকার হয়। সামাজিক সম্মান, ভয় ও ধর্মের প্রভাবের কারণে এসব ঘটনার বেশিরভাগই অপ্রকাশিত থেকে যায়। এরাই আবার পরবর্তীতে ধর্ষক ও বলাৎকারকারী হয়ে ওঠে। এভাবেই এটি চক্রাকারে চলতে থাকে।

পবিত্র হেরেমখানা জান্নাতে ৭২ হূরদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ব্যবস্থা, কোরআনে জান্নাতুল ফেরদাউসে সুন্দরী সতী ৭২ নারী সম্পর্কে রসাত্মবোধক অতিকথন—সবকিছুই ইসলামের অনুসারী সকল মুসলমানের মধ্যে এক ধরনের আক্ষেপ ও লালসার বিস্তৃতি ঘটায়। এ ধরনের বিস্তৃতি থেকেই শিশু বলাৎকারের মতো ঘটনাগুলো মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের মধ্যে বেশি ঘটে; বিশেষ করে ধর্মীয় আলেমদের মধ্যে।

নবী মুহাম্মদের রচিত কোরআন যেহেতু শিশু ধর্ষণের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেনি, সেহেতু শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকার মুসলমানের জন্য বৈধ!

যদি প্রতিটি শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতো, যদি সাহস করে অভিযোগ করা হতো; দেখা যেত ধর্ষণ, বলাৎকার ও যৌন সহিংসতা ধর্মের লেবাসপরা লোকদের একমাত্র কর্ম।

ধর্ম শিক্ষার নামে মাদ্রাসা, মসজিদের মতো এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। এ দেশের শিশুরা দেশের প্রচলিত সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত হয়ে উঠবে। এবং একই সাথে শিশু সুরক্ষার আইনকে আরও কঠোর করতে হবে, যাতে এ ধরনের সহিংসতা শিশুদের উপর আর না হয়। ধর্ম ব্যবসায়ী, মৌলবাদী ও জিহাদী সম্প্রদায় তৈরির এসব ধর্মীয় ব্যবসা বন্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে। এমন আইন প্রণয়ন করতে হবে, যাতে করে দেশে সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদ বিকশিত হতে না পারে।


আরও পড়ুন