ধর্ম ইসলামের নামে ভিন্ন মত, ধর্ম, বর্ণ ও যৌন পরিচয়ের মানুষ হত্যা জায়েজ। ঐতিহাসিক ভাবেই এর শুরু থেকেই ভিন্নতা থাকা সকল সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি ইসলাম বর্বরতা দেখিয়েছে।
বাংলাদেশের মানুষ যতটা না ধর্ম পালন করে তারচেয়ে অধর্মেই বেশি নিমজ্জিত থাকে। এইসব মুসলমানেরা সহজেই উত্তেজিত হয়। এদের ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে যুদ্ধের বর্বরতা, যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের সম্ভোগ, গনিমতের মাল হিসেবে বিক্রি, হত্যা, লুণ্ঠনের অতীত ইতিহাস এদের তাড়িত করে।
কোথায় কে নবী মুহাম্মদকে কেন্দ্র করে একটা নগ্ন কার্টুন আঁকল, ইসলামে নবীর জীবনদর্শন নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা ও আলোচনা করলো, ইসলাম কিভাবে নারী ও শিশুদের অধিকার হরণ করে মানবাধিকারের বারোটা বাজিয়ে দিলো, কে লিখলো, কে পেয়ারের নবীকে নিয়ে কিছু বলল, তাকে নারায়ে তাকবির বলে জবাই করো। এটা ফরজ ইবাদাত। এভাবে ধর্মের নামে নিরীহ মানুষকে মত প্রকাশের জন্য হত্যা করে মুমিন মুসলমানেরা বেহেস্তে যাবে।
ইসলাম ধর্মের যে দর্শন ও জীবনব্যবস্থা তা মূলত এর প্রচারক নবী মুহাম্মদেরই শিক্ষা। কিন্তু এ শিক্ষা শান্তি স্থাপনে ব্যর্থ। এ ইসলামের অতীত ইতিহাস অনেক ক্ষেত্রে কলঙ্কিত। যেখানে নারী ও শিশুদের প্রতি যৌন পীড়নের বর্বরতা রয়েছে।
আপনি বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী যেই হোন না কেন; কোন যুক্তিতে আপনি এমন বর্বরতার বৈধতা দিতে পারেন?
মুসলমানের এ কেমন ইসলাম? এ কেমন কোরআন যেখানে যৌনতা, নারীদের অমর্যাদা, ধর্ষণকে কোরআনে আয়াত নাজিল করে জায়েজ করা এসব গ্রন্থ আর ধর্মই এ বাংলাদেশসহ তাবৎ দুনিয়ার মুসলিমদের উন্মাদনার সারবস্তু।
ধর্মের নামে এক অপরিসীম যুদ্ধ চলছে। এই মত প্রকাশ ও যুক্তির কথাবার্তার জন্যও হয়ত একদল মুমিন মুসলমান এই অধার্মিককে উন্মুক্ত তরবারি হাতে ছুটে এসে জবাই করতে চাইবে। জান্নাতে ৭২ হুরের সাথে উন্মাদনার মত্ত হতে চাইবে।