শিরোনাম :
ধর্মচর্চা থেকে রাষ্ট্রক্ষমতা—ধর্মের আড়ালেই অধর্ম আওয়ামী লীগ-পরবর্তী বাংলাদেশে ইসলামী মৌলবাদের উত্থান: শরিয়াহ আইন ও মানবাধিকারের প্রশ্ন বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক সমীকরণে জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে উদ্বেগ শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকার মুসলমানের জন্য বৈধ! মুসলমান, মৌলবাদী ও জঙ্গি—এদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই ইসলামে নারীদের পর্দা প্রথার উৎস ধর্ম ইসলামের বর্বরতা: নবী, কোরআন ও যৌনতার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন বাংলাদেশে জিহাদের উন্মাদনা: ধর্মান্ধতার উত্থানে মানবিক রাষ্ট্রের সংকট ইসলামপন্থীদের উত্থানে বাংলাদেশে উন্মাদনা: তালেবানি রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন এলজিবিটিকিউ মানুষের আত্মপরিচয়: রংধনুর মতো বৈচিত্র্যময় ও বর্ণিল
অনুসন্ধান করুন:
|
আমাকে অনুসরণ করুন:
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন

ইসলামে নারীদের পর্দা প্রথার উৎস

কামরুল ইসলাম
প্রকাশিত : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
প্রতীকী ছবি

নারীদের পর্দার অন্তরালে করার প্রথম বন্দোবস্ত করে ধর্ম ইসলাম। এবং এই প্রথার উদ্ভব হয় এক ধরনের নারী বিদ্বেষ থেকে। আফগানিস্তান, তালেবান ও ইরানের মতো আজকে বাংলাদেশেও নারীদের বাধ্যতামূলকভাবে হিজাববিধির আওতায় আনার একটি প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে ধর্মীয় মৌলবাদীরা। নারী-জীবন-স্বাধীনতার প্রশ্নে ধর্ম, মৌলবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বিস্তারকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে গেছে পায়ুকামী, ধর্ষক, স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী শক্তি জামায়াতে ইসলামী।

সম্প্রতি বিএনপির এক সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী এমপিদের দিকে লক্ষ্য করে বলেন,

আপনারা কারা?

আপনাদের তো আমরা চিনি না।

“আপনারা যা পড়েন, তা ইতিহাসের সত্য—এই কথাটা ঠিক নয়। আর আপনাদের চেনা আরও কঠিন।” এ নারীদের আপাদমস্তক ছিল কালো হিজাব ও বোরকায় ঢাকা। নারীর শরীর, চুল, পোশাক ও চলাফেরাকে নিয়ন্ত্রণ করে নারীকে সীমাবদ্ধ করার চেষ্টা করে ধর্ম। একই সাথে নাগরিক অধিকারও সংকুচিত করে। ধর্ম ইসলামের নারীদের প্রতি আছে কুৎসিত নারী বিদ্বেষ।

কিন্তু কেন শুধুমাত্র ইসলাম ও মুসলমানেরাই নারীদের প্রতি এতটা বিদ্বেষী?

কেন নারীদের নিয়ে ধর্মপাল মুসলমানের এত উন্মাদনা?

আল্লা শব্দের অর্থ হলো যৌন প্রলোভনকারী। ইসলাম শব্দের বাস্তবিক পরিভাষা হলো যৌন উন্মাদনা। যা নবী মুহাম্মদের ধর্ম ইসলাম থেকে এসেছে। অর্থাৎ যে আল্লাহর যৌন প্রলোভনে যৌন উন্মাদ হয়েছে, সেই হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বী।

একদা সাহাবীরা নবী মুহাম্মদকে জিজ্ঞাসা করে কিভাবে তাঁরা তাদের স্ত্রী-কন্যাদের রক্ষা করবে?

কারণ আরবের সে সময় ইসলাম ধর্মে অনুসারী সকল মুসলমানই কোন না কোন এক পর্যায়ে একে অপরের স্ত্রী, কন্যাদের সাথে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়াতো। ইসলাম ধর্মের এমন কিছু বিষয় কথিত মৃত্যুর পরবর্তী বেহেস্তের জীবন সম্পর্কে বলা আছে, যা মুসলমানদের নারীদের প্রতি প্ররোচিত করতো।

তখন  নবী তাঁর সাহাবী ও অনুসারীদের বলে তোমাদের (স্ত্রী, কন্যাদের) পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঢেকে রাখবে। তাদের ঘরের মধ্যে আটকে রাখবে। নবী মুহাম্মদসহ তাঁর অনুসারীদের অবয়িধ উন্মাদনা থেকে পরিত্রাণ দিতেই মুসলিম নারীদের বোরখা ও হিজাবের মতো পর্দা প্রথার উদ্ভব হয় ইসলামে।


আরও পড়ুন