বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময় থেকেই জামায়াতে ইসলামী, হেফাজত, ওলামা লীগ, ইসলামী ঐক্যজোট, আমেনি, খোমেনি একই মতাদর্শে বিশ্বাসী এরা, এদের সকলেরই উদ্দেশ্য হলো ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠা।
যে যেভাবেই বলার চেষ্টা করুক, মৌলবাদী, উগ্রবাদী ও চরমপন্থীরা আধিপত্য বিস্তারের কাজ রাজনৈতিক কালো পুত্র তারেক রহমানের এ বিএনপি সরকারের শাসনামলে জামায়াতের ছত্রছায়ায় বেশ নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে।
সাধারণ মুসলমান, মৌলবাদী ও জঙ্গি—এদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এরা একই গোত্রের ও একই দর্শের।
জামায়াতের মতো একটি মৌলবাদী দল সবসময়ই চেয়েছে বাংলাদেশের অবস্থানকে তালেবানি রাষ্ট্র বানাতে। ১৯৭১ সালে যদি দেশ স্বাধীনতা অর্জন না করত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিত, আজকে বাংলাদেশের সীমানা পাকিস্তানের সাথে থাকলে বাংলাদেশ জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হতো।
জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ে ধর্মনিরপেক্ষতার একটি ধারা বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল। আজকে জঙ্গিবাদের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশদাতা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী জঙ্গিরানি খালেদা পুত্র তারেকের নেতৃত্বে জামায়াতের মতো ধর্মের শুকরেরা বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রের দিকেই নিয়ে যাচ্ছে।
বিগত কয়েক দশক ধরে সৌদি এজেন্ট, পাকিস্তানি দোসর জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের এজেন্টরা তাদের অর্থায়নে গড়ে তুলেছে হাজার হাজার মাদরাসা, মসজিদের মতো ধর্মীয় পতিতালয়।
মগজ ধোলাই করে অবাধে জঙ্গিদের চাষাবাদ করা হয়েছে এই মাদরাসাগুলোতে। উন্মুক্তভাবে জঙ্গিবাদ প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বানিয়ে তুলেছে জঙ্গি। এরাই শিল্পকলা একাডেমী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়, প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রসহ বেশ কিছু স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে মাদরাসা ছাত্র-শিক্ষকরা।
আজকের বাংলাদেশে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, হেফাজতের আল্লামা মামুনুল হকদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে দেখুন, এদের কারোরই আইএসআই হতে সময় লাগবে না। মসজিদ, মাদ্রাসা থেকে বলাৎকার হতে হতে ধর্মের শরিয়াহ আইন এদের মাথায় উঠে গেছে। এরা এই দুনিয়াকেও জান্নাত বানাতে চায়। যেখানে নারীর অধিকার হরণের মধ্য দিয়ে নারীদের অধিকার ও আত্মমর্যাদাকে সংকুচিত করা হবে।